রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২০, ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
সিরাজগঞ্জে বিএনপির উদ্যোগে বন্যা ও নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় মাঝে ত্রান বিতরণ সিরাজগঞ্জ জজকোর্টের সাবেক পিপি রেজাউল করিম তালুকদারের কবর যিয়ারত করে দোয়া করলেন বিএনপির নেতৃবৃন্দ সিরাজগঞ্জ কামারখন্দে মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় ১ জন নারীর মৃত্যু কামারখন্দে ঈদের আনন্দ দিগুণ করতে ভেলা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত কামারখন্দে আউশ মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত কোরবানীর বর্জ্য পরিশোধন অভিযানে মুরাদের বাবা কামারখন্দে বন্যা কবলিত এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করলেন এমপি মুন্না সিরাজগঞ্জ অনলাইন স্কুলের পাঠদান কার্যক্রম চলছে ১০০ টি পরিবারের হাসি ফুটালেন আ’লীগ নেতা মালেক কামারখন্দে ভিজিএফের চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ
ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তাণ্ডবে লন্ডভন্ড সাতক্ষীরার উপকূলীয় অঞ্চল

ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তাণ্ডবে লন্ডভন্ড সাতক্ষীরার উপকূলীয় অঞ্চল

সময় বাংলাদেশ ডেস্ক:

রোববার ভোররাত থেকে সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকায় শুরু হয় ঝড়ো হাওয়া।প্রবল ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের তাণ্ডবে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে সাতক্ষীরার উপকূলীয় শ্যামনগর উপজেলা।  ঝড়ে উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের ঘরবাড়ির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কাচা ঘরবাড়ি মাটির সঙ্গে মিশে গেছে। রাস্তাঘাটে গাছপালা উপড়ে পড়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। মাছের ঘের ভেসে গেছে। এখনো উপকূলে চলছে বুলবুলের তাণ্ডব।

উপকূলীয় শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালীনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ভবতোষ মন্ডল বলেন, ঝড়ে সব কিছু লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। রাস্তাঘাটে গাছপালা পড়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। মানুষের মাটির ঘরবাড়ি একটিও নেই। মানুষের মাছের ঘের ভেসে গেছে। প্রচণ্ড বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া ভোররাত থেকে শুরু হয়ে এখনো চলছে। ঝড় শেষ হলে বিস্তারিত জানা যাবে।

তিনি আরও বলেন, ইউনিয়নে দুই হাজারেরও বেশি কাচামাটির ঘরবাড়ি ছিল। একটিও নেই। ধারণা করছি, মাটির নিচে অনেকে চাপা পড়ে গেছে। মাটির নিচে চাপা পড়া মানুষদের খোঁজা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

শ্যামনগরের গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিএম মাসুদুল আলম জানান, ঝড়ে তার ইউনিয়নের পাঁচ হাজার কাচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত হয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকা। গাছপালা ভেঙে রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এম কামরুজ্জামান বলেন, ভোররাত থেকে শুরু হওয়া ঝড় ও বৃষ্টি এখনো চলছে। গাছপালা পড়ে রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে। গাবুরা ও বুড়িগোয়ালীনি ইউনিয়নের কাচামাটির ঘরগুলো সব নষ্ট হয়ে গেছে। এই দুই ইউনিয়ন বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লন্ডভন্ড হয়ে গেছে দুই ইউনিয়নের সবকিছুই। এখনো কেউ নিহত বা আহত হয়েছে কি-না জানা যায়নি।

তিনি বলেন, ঝড় বৃষ্টি থামার পর বিস্তারিত জানা যাবে। এরপরই জরুরি মুহূর্তে যা যা পদক্ষেপ নেয়া যায় তা নেয়া হবে।

 

সুত্র: জাগো নিউজ

 





© All rights reserved © 2018 somoybangladesh24.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com