শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০১৯, ০৩:২২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
সাতক্ষীরায় পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে ২ ছাত্রলীগ কর্মী নিহত। ভর্তিচ্ছুদের সহযোগীতায় তিতুমীর কলেজস্থ একখন্ড ঝিনাইদহ মধ্যনগর থানা আওয়ামীলীগের নব গঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দদের নিউইয়র্ক প্রবাসীদের অভিনন্দন ফোবানা সম্মেলনের জন্য ওয়াশিংটন ডিসি থেকে সংগ্রহ ২৫ হাজার ডলার ‘রায়কে স্বাগত না জানিয়ে বিএনপি সংকীর্ণ মনের পরিচয় দিয়েছে’ জার্মান আওয়ামীগের কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত শাহজাদপুরে ‘দলছুট’ হনুমান, উদ্ধারে কাজ করছে দি বার্ড সেফটি হাউজ বাংলাদেশ যুব ইউনিয়ন ৩নং জামতৈল ইউনিয়ন কমিটির প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে বেকুচিতে ২৮২ বোতল ফেন্সিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার জেলা ছাত্রলীগের গণযোগাযোগ ও উন্নয়ন বিষয়ক উপ সম্পাদক হলেন যুবায়ের
পুরুষদের জন্য গর্ভনিরোধক ইনজেকশন তৈরি

পুরুষদের জন্য গর্ভনিরোধক ইনজেকশন তৈরি

সময় বাংলাদেশ ডেস্ক:

ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ পুরুষদের জন্য গর্ভনিরোধক ইনজেকশন তৈরি করছে । পরীক্ষার পর তা অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে ড্রাগ কনট্রোলার জেনারেল অব ইন্ডিয়ার কাছে (DCGI)।

জানা গেছে, একবার এই কনট্রাসেপ্টিভ ইনজেকশন নিলে প্রভাব থাকবে ১৩ বছর। এরপরই চলে যাবে এর প্রভাব। সার্জিক্যাল ভ্যাসেক্টমির বিকল্প হিসেবেই ব্যবহার করা হবে এই ইনজেকশন।

ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চের সিনিয়র বিজ্ঞানী ডা. আর এস শর্মা জানিয়েছেন, ‘প্রডাক্ট তৈরি হয়েছে। ড্রাগস কনট্রোলারের থেকে অনুমোদন পাওয়ার অপেক্ষায় আমরা। ট্রায়ালও হয়েছে। এজন্য ৩০৩ জনকে নিয়োগ করা হয়েছিল। ৯৭.৩ শতাংশ সাকসেস রেট পেয়েছি। দেখা দেয়নি কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া। এ প্রডাক্টকে নিশ্চিন্তে বিশ্বের প্রথম পুরুষ কনট্রাসেপ্টিভ বলা যেতে পারে।’

পুরুষদের জন্য গর্ভনিরোধক নিয়ে গবেষণা করছেন মার্কিন বিজ্ঞানীরাও। তবে তারা এখন পর্যন্ত কোনো সাফল্য পাননি।ইউকের ন্যাশনাল হেল্থ সার্ভিসের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে লেখা হয়েছে, ২০১৬ সালে পুরুষদের কনট্রাসেপ্টিভের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়েছিল। কিন্তু তা মাঝ পথেই বন্ধ করা হয় এবং বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

ভারতের তৈরি এই কনট্রাসেপ্টিভ একধরনের পলিমার, যা টেসটিকিলসের কাছে শুক্রাণু টিউবের মধ্যে ইনজেক্ট করতে হবে। তবে এজন্য লোকাল অ্যানাস্থেশিয়ার প্রয়োজন হবে বলেই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

এই পলিমারটি সত্তর দশকে প্রথম তৈরি করেন ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির অধ্যাপক এসকে গুহ। ১৯৮৪ সাল থেকে এর ওপর বিভিন্ন পর্যায়ে গবেষণা চালানো হয়েছে।

 





© All rights reserved © 2018 somoybangladesh24.Com
Design & Developed BY ThemesBazar.Com